আবহাওয়া যে কেমন, কি আর বলব। পাখা বন্ধ করলে গরম ছাড়লে ঠান্ডা। কাল রাতে বৃষ্টি হয়েছে। একদম perfect weather. love the way the wind touch my h...
আবহাওয়া যে কেমন, কি আর বলব।
পাখা বন্ধ করলে গরম ছাড়লে ঠান্ডা। কাল রাতে বৃষ্টি হয়েছে।
একদম perfect weather. love the way the wind touch my hole body and give me some goosebump....
একটু বেশি ইংরেজি বলে ফেললাম তাই না। ক্ষমা কর মোহে।
মানুষের life এ খুব কম সময় perfect হয়। আজ আমার দিনটা খুব ভালই গেল।
আজ দোকানে গেলাম খুব ভালই কাটল। একটু খারাপ লাগল।
দোকানের ছেলেটা আজ একটা iteam বিক্রি করসে কিন্তু বলে নাই। কিন্তু কথা ছিল এটার লাভ দোকানে আসবে। কিন্তু সকালে সি বিক্রি করে আমাকে বলে নাই।
শুনে অবাক খারাপ লাগলো।
কি যে হবে ওর।
হিংসা। অনেক ছোট কিন্তু কিন্তু....... আজকে দোকানে অনেক ভালভাবেই চলসে। সব ঠিক ঠাক। একদম ফাটা ফাটি। উরা ধুরা পুরা। কিন্তু, সব কিছু ঠিকের মাঝে...
হিংসা।
অনেক ছোট কিন্তু কিন্তু.......
আজকে দোকানে অনেক ভালভাবেই চলসে। সব ঠিক ঠাক। একদম ফাটা ফাটি। উরা ধুরা পুরা। কিন্তু, সব কিছু ঠিকের মাঝে একটা সমস্যা দোকানের ছেলেটা।
লাগামছাড়া ঘোরার মতন।
কয়েকদিন ধরে ওরে দেখলেই আমার মাথা গরম হয়ে থাকে। মনচায় ওরে মারি। কিন্তু কিন্তু.......
না আমি তো কাউকে মারি না।
দোকান আজকে একটু সময় নিয়া বন্ধ করলাম। ধিরে সুস্তে গুলিস্তান গেলাম। একদম খালি বাসও পেয়ে গেলাম। উঠে বসলাম। বাস এমনভাবে রাখল যে পিছের কোন বাস আর সামনে আসতে পারছিল না। তাই পিছের বাস বার বার ধাক্কা দিতেসিল। কয়েকবার এরকম করল। একটু পরে পিছের বাসটা সামনে এসে রাস্তা block করে রাখল। এখন সেই কাজটা আমাদের বাসের driver করল। সেও একি কাজ করল। সেও বাসের পিছে আবার ধাক্কা দিল।
হায় আমাদের বাংলাদেশ। ১০-১২ হাত দুরেই পুলিশ দাড়ান। নিরব দর্শকের ভূমিকায়।
বাবা এখন দেশের বাইরে। কয়েকদিন ধইরা শান্তিতে আসি। ভালই লাগতেসে, মন্দ না। সকালে দোকানে গেলাম। কেনা - বেচা করলাম। ভালই। সারাদিনের ব্যস্ততায় সন্...
বাবা এখন দেশের বাইরে। কয়েকদিন ধইরা শান্তিতে আসি। ভালই লাগতেসে, মন্দ না। সকালে দোকানে গেলাম। কেনা - বেচা করলাম। ভালই। সারাদিনের ব্যস্ততায় সন্ধ্যা হয়ে গেল।
আজ দোকান তাড়াতাড়ি বন্ধ করতে হবে। দুটা কাজ আসে। studio থেকে ছবি নিতে হবে আর একটু ডাঃ এর কাছে যাব। নাহ তেমন বড় কোন সমস্যা নাই। আসলে গেলেই বুঝা যাবে কি হইসে।
দোকান বন্ধ করে কোথায় যে আগে যাব বুঝতে পারতেসিলাম না। গন্তব্য দুটা দু দিকে। একটা ওয়ারী, আরেকটা দয়াগঞ্জ।
কিছুখন ভেবে হাটা দিলাম। প্রথমে যাব studio। হাটতে হাটতে studio আসলাম ঝটপট ছবি নিয়া আবার হাটা ধরলাম। ভাবসিলাম রাজধানী মার্কেটের সামনে থেকে বাসে উঠব। কিন্তু না কেন যানি হাটতে থাকলাম। হাটতে হাটতে দয়াগঞ্জ। ঔখানে গিয়া দেখি মাসুদ নাই। দিলাম call।
দারাতে বললো আমাকে। কিছুক্ষনের ভেতর ও এসে পরল। দুজন হাটতে হাটতে ডাঃ এর কাছে চলে আসলাম। ঐখান থেকে সবুজকে call করলাম। এখানে কাজ শেষ হলে ওর সাথে দেখা করব।
বাসায় কিছুই বলিনাই ডাঃ এর বেপারে। দাতে তেমন কিছুই হয় নাই। সব ঠিক আছে। শুধু পাথর যমে গেসে।যখন দাত scaling করা শুরু করল, বাসা থেকা call আসল। মাসুদ কথা বলল। কি বলল আল্লাহ যানে।
অনেক late হয়ে গেসে ১০টা বাজে। সবুজের সাথে দেখা করা cancel। বের হয়ে সোজা বাসার জন্য রওনা দিলাম। কেন যানি মাসুদ আমাকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত দিয়া আসল। নিশ্চই বাসা থেকা বলসে তাই।
প্রতিটা মানুষের জন্য। সাপ্তাহিক holiday মানে, শুক্রুবার অনেক অগুরুত্বপূর্ণ। আর এই শুক্রুবার দিনটা আমার কাছে ঈদের চাইতে কম না। সারাদিন অনে...
প্রতিটা মানুষের জন্য। সাপ্তাহিক holiday মানে, শুক্রুবার অনেক অগুরুত্বপূর্ণ।
আর এই শুক্রুবার দিনটা আমার কাছে ঈদের চাইতে কম না।
সারাদিন অনেক plan কইরা রাখসি রাতেই আজ কি কি করব।
কিন্তু না ঘুম ভাঙারর আগেই, সকাল সকাল ঝাড়ি শুনতে হইল। না যানি দিনটা কেমন যায়।
সকালে উঠে ইচ্ছা করে বিছানায় শুয়ে থাকলাম। ঝাড়ি শুনসি তাই। নাস্তা খেয়ে আবার শুয়ে থাকলাম। তার অনেক পরে আমি বাজার করতে গিলাম। আমার বাজার করাটা formality শুধু। এর বেশি কিছু না।বাজার করে গোসোল করে নামাজ পরতে গেলাম। নামাজ পরে এসেই আমি চলে গেলাম দাওয়াতে। আভার বিয়ের। অনেক মজা করলাম। আম্মুদের ছবি তুলিয়ে গাড়ি করে আবার ফেরৎ আসলাম বিয়েতে। অন্য কোথাও যাওয়া হল না। বাকি সব plan বাদ দিতে হল। সব দোষ মাসুদের। বাসায় এসে ক্লান্ত আর পুরোটা ছুটি আজ মাটি করলাম।
ধর্মঘট শেষ। আজ বাবাও দেশের বাইরে চলে গেসে। একা একা দোকানে আসলাম। টুক টাক বেচা হল। আজ আভার বিয়ে। মনে পরলেই মজা লাগে। কিছু কিছু জিনিস সবাইকে...
ধর্মঘট শেষ।
আজ বাবাও দেশের বাইরে চলে গেসে। একা একা দোকানে আসলাম। টুক টাক বেচা হল। আজ আভার বিয়ে। মনে পরলেই মজা লাগে।
কিছু কিছু জিনিস সবাইকে বলা যায় না। এটা তেমন একটা বিষয়। থাকনা শুধু আমার ভিতর।
মানুষের পুরটা ভাল দিনকে খারাপ করার জন্য একটা মুহূর্তই যথেষ্ট। আমার সাথেও তেমেন হল।
দোকানের ছেলেটা এত্ত বাইরা গেসে যে আমি আর পারতেসি না। মন চাইসিল, ওরে বলি কালকে থেকে তোমার আসা লাগবে না। কিন্তু কি আর করা? বাবা যাবার আগে ওরে না বলতে মানা করসে।
ছেলেটা ধান্দাবাজ হইয়া গেসে। সব কিছুতে ধান্দা খুজে। টাকাত নেষা অনেক বর নেষা। আমার লাগে ও সে নেষায় পরসে।
আল্লাহ যানে ওর কপালে কি লিখা আছে। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যি করেন। না জানি করদিন টিকে আর।
হুম। অনিদৃষ্ট কালের ধর্মঘট চলছে। দল বেধে সবাই হাটা ধরসে নিজ নিজ গন্তব্যে যাবার জন্য। দেখে খুব ভাল লাগল। একদিক দিয়া ভালই, হাটা তো স্বাস্থ্যে...
হুম।
অনিদৃষ্ট কালের ধর্মঘট চলছে। দল বেধে সবাই হাটা ধরসে নিজ নিজ গন্তব্যে যাবার জন্য। দেখে খুব ভাল লাগল। একদিক দিয়া ভালই, হাটা তো স্বাস্থ্যের জন্য ভালই।
দোকানে গেলাম আজ খুবই ব্যস্ত। কাল বাবা ঢাকার বাইরে যাবে। সব কাজ গুছিয়ে দিতেসে আমাকে। আল্লাহ যানে সব ঠিকঠাক করতে পারব নাকি। ভাল মতন না করতে পারলে ঝাড়ি শুনতে হবে।
ব্যাংকে দৌড়া দৌড়ি করতে করতে কখন যে সময় চলে গেল খেয়াল করি নাই।
বাবা ঔষুধ আনতে বললো। আমি ভাল মতই শুনলাম যে ২টা করে মোট ৬টা ঔষুধ আনতে বলসে। আমিও সে মতন আনলাম কিন্তু না তিনি ঝাড়ি দিলেন।
বললেন আমি শুধু ২টা আনতে বলসি। বাকি ঔষুধ ১টা করে বলসি। কি আর করব, কিছু কিছু কথা নিয়া argue করে লাভ নাই। শুধু শুধু সময় নষ্ট। তাই আমিও ঔষুধ ফেরেৎ দিতে চলে গেলাম। ফেরৎ দিয়া আবার আসলাম।
বাবা আজ তারাতারি দোকান বন্ধ করে দিবেন। রাতে ঢাকা ছাড়বেন তাই। আমাকেও সাথে নিয়া আসলেন। কারণ গাড়ী পাওয়া বর দায়।
ও আজ দোকানের ছেলেটার উপর অনেক রাগসি। ছেলেটা অনেক বেরে গেসে। কোন কথাতো শুনেই না। তার উপর সব কিছুতে ধান্দা খুজে। আল্লাহ্ জানে ওর ভবিষ্যৎ এ কি লিখা রাখসে। আজ আব্বু ওরে অনেক কথা শুনাইলো। কালকে বুঝা যাবে। ও ভাল হইসে, নাকি না।
বেচাকেনা ভাল না কয়েকদিন ধরে। তার উপর মেজাজ খুব গরম। দোকানে ছেলের কাজ দেখলে আমার শরীর জ্বলে উঠে। কিন্তু আমার একটা খারাপ দূর্বলতা আছে। আমি প্র...
বেচাকেনা ভাল না কয়েকদিন ধরে। তার উপর মেজাজ খুব গরম। দোকানে ছেলের কাজ দেখলে আমার শরীর জ্বলে উঠে। কিন্তু আমার একটা খারাপ দূর্বলতা আছে। আমি প্রচন্ড না রাগলে কাউকে ঝাড়তে বা চিল্লাতে পারি না।
এই দূর্বলতার কারণে চুপ করে শুধু তার কাজ দেখতে লাগলাম।
ছেলেটা কাজের নাকি কাজের না বুঝতে পারতেসি না।
ঠিক করলাম সব কিছু আব্বুকে খুলে বলে।
ছেলেটাকে না হয় চাকুরী থেকে না করে দেই।
অনেক চিন্তা ভাবনা করে বুঝা গেল তাকে রাখতে হবে, যত পর্যন্ত কাউকে না পাওয়া যায়।
একটা কথা তো বলতে ভুলে গেলাম। আজ ব্রীজে কি যেন হইসিল্ম গাড়ি পাওয়া যাইতেসিল না। কি আর করা তাই সবাই হাটা শুরু করসে।
আমার কাছে এ।দিনটা ভাল হইসে। সবাই হাটসে স্বাস্থ ভাল হইয়া গেসে।
সময়ের সাথে সাথে মানুষ কতটা বদলাতে পারে। নাকি সময়ের আগেই মানুশ অনেক বদলে যায়। এই বদলে যাওয়াটা সময়ের সাথে সাথে আমরা টের পাই। দোকানে আজ তেমন ক...
সময়ের সাথে সাথে মানুষ কতটা বদলাতে পারে। নাকি সময়ের আগেই মানুশ অনেক বদলে যায়। এই বদলে যাওয়াটা সময়ের সাথে সাথে আমরা টের পাই।
দোকানে আজ তেমন কাজ ছিল না। প্রতিদিনের মতই সব ঠিকঠাক ছিল। আজ রাতে দোকান বন্ধ করে নাকি চায়নীজ খেতে যাব।
কেন যানি পরিবারের সাথে একসাথে থাকতে ভাল লাগে না। একা অন্ধকার খুব ভাল লাগে, খুব আপন মনে হয়। ভাল হত আমি যদি না যেতাম। আম্মু আব্বু parcel খাবার নিয়া আসতো। কিন্তু না। রাশেদ ভাইও আসবে তাই যেতে হবে। কি আর করার আছে?
ভাল মতন কাজ শেষ করে আব্বুর সাথে চায়নীজ এ আসলাম। আম্মু আগে থেকে রিকশায় ছিল। নেমে আম্মুরে নিয়া ভিতরে ঢুকলাম। খাবার order করতেসে আমিও রাশেদ ভাইরে call করতেসি, কোন পাত্তা নাই। খাবার আসার আফে স্যুপ খেতে দিল তাও খেয়ে ফেললাম। আবার call করলাম। এবার তিনি বলেন তার আসতে সময় লাগবে। আমিও আর কিছু না বলে আম্মুরে দিয়ে দিলাম।
আমার মস্তিষ, রক্ত, রাগে ক্ষোভে গরম হয়ে গেল। বাসায় এসে আর কিছুই বললাম না। শুয়ে রইলাম।
আমার পরান যাহা চায়। আমার পরান কি চায়? কিছু চায় নাকি, এমনি বইসা আসে। কাল রাতে অনেকবার ঘুম ভাংসে। ভাংগা ভাংগা খারাপ স্বপ্ন দেখলাম। কে যানি ম...
আমার পরান যাহা চায়।
আমার পরান কি চায়? কিছু চায় নাকি, এমনি বইসা আসে।
কাল রাতে অনেকবার ঘুম ভাংসে। ভাংগা ভাংগা খারাপ স্বপ্ন দেখলাম। কে যানি মারা যাবে আমার লাগতেসে। আমি যেন সত্যি হই। আমি মারা গেলে বোধয় অনেক ভাল হত। অনেক সমস্যার জন্য আমি দায়ী।
কি সব কথা বলা শুরু করলাম।
সকাল সকাল দোকানে গেলাম। অনেক busy কয়েকদিন ধরে। সময় খুব দ্রুত শেষ হইতাসে। life আর ছোট হইতাসে দিন দিন। আমার জন্য ভাল। বেশিদিন বেচে কি লাভ হবে। যলদি যলদি চলে গেলে সব ঝামেলার শেষ হবে।
আসল কথা হল আজকে বলার মতন কিছুই ঘটেনাই।
শুক্রুবারের দিনটা খুবই আজব হয়। সারাদিন কিছু করার নাই, আবার অনেক কিছুই করতে হয়। বরাবরের মতন আজকেও অনেক late করে উঠলাম। উঠতাম কিন্তু তাও উঠতা...
শুক্রুবারের দিনটা খুবই আজব হয়। সারাদিন কিছু করার নাই, আবার অনেক কিছুই করতে হয়।
বরাবরের মতন আজকেও অনেক late করে উঠলাম। উঠতাম কিন্তু তাও উঠতাম না। কিন্তু বাবা ঢাক দিল তাই যাওয়া হল। যেতাম না ঐখানে। ওনেকবার ঢাকল তাই গেলাম। মনে করসিলাম কোন কাজে ঢাকা হইসে। কিন্তু না ধারনাটা ভুল ছিল আমার। আগের দিন দাদি আর জেঠিমার সাথে কথা হইসে এ নিয়া আলোচনা।কি বললো, কেন বললো, আমি কি করসি, ও কি করসে এ সব কছু জিজ্ঞাস করা হল।
আজকে আবার শিমু আপার বাসায় যাওয়ার কথা।
ছোটকালে একটা কথা বলতাম আমার খুব মনে পরে, কিন্তু কেন বলতাম এটা মনে নেই।
শিমুর বোন হিমু, হিমুর ভাই শিমু। যখন ছোট ছিলাম তখন অনেক ভাল ছিলাম। দিন যত যাচ্ছে সব কেমন যানি হয়ে যাচ্ছে। life টা পুরা তামা তামা হয়ে গেল।
বাংলাদেশ high technology হয়ে যাচ্ছে। google map দেখে আমি শিমু আপার বাসায় গেলাম। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ এটাকে মূল্যায়ন দেয় না। তার ভিতর একজন হল Mr. রাশেদ। জি রাশেদ ভাই। যার সাথে আমি সবচেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত করি। কিন্তু মজার বিষয় হল ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে। রাত ১০ ঘটিকা থেকে সকাল ৮ ঘটিকা দীর্ঘ ১০ ঘন্টা আমরা একসাথে থাকি।
ও শিমু আপার বাসায় গিয়ে অনেক কিছু করলাম। বলে শেষ করা যাবে না। সংক্ষেপে বলতে গেলে বাসায় ঢুকলাম আর বের হইলাম। ঘড়ির কাটা কখন যে ঘুরে ঘুরে ৬টা বেজে গেসে যানি না।
রাশেদ ভাইয়ের যোরা যোরিতে জলদি বের হলাম। কিন্তু ছোট একটা shock খেলাম। জুতো জোরা নিয়ে কে যেন চম্পট দিয়েছে। আচ্ছা আমি কেন যানি এখন আর আগের মতন অবাক হইনা। আচ্ছা আমি কি বদলে যাচ্ছি। কি হচ্ছে আমার সাথে।
লাইফটা খুবই অদ্ভুত। মানুষের সাথে কখন কি হয় কেউ যানে না। always suspension কাজ করে। আজকে অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠসি। গতকাল রাতে কেন জানি ঘুম...
লাইফটা খুবই অদ্ভুত। মানুষের সাথে কখন কি হয় কেউ যানে না। always suspension কাজ করে। আজকে অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠসি। গতকাল রাতে কেন জানি ঘুম আসছিল না? ৪টায় ঘুমাইসি।
আচ্ছা মানুষের দৈনিক কয় ঘন্টার ঘুম জরুরী।
শুনা হইসিল, কিন্তু মনে পরতেসে না। মানে হয়, ৭ঘন্টা।
থাক এ সব নিয়ে আমার মাথা ঘামিয়ে লাভ নাই। আমি এত্তটুকু জানি আমি দেরি করে উঠসি ঘুম থেকে। কিন্তু ঝাড়ি শুনি নাই। আজ অবাক হলাম না কেন জানি। নাস্তা খেয়ে দারিয়ে ছিলাম main road এ। ভালই লাগতেসিল আবহাওয়া।
দোকানে গিয়ে কোন কাজ ছিল না আজ। কিন্তু হঠাৎ বেংকে টাকা জমা দিতে যেতে হল।
ঘটল ছোট্ট একটা দূঘটনা। কখন জানি পকেট থেকে টাকার এক বান্ডেল পরে গেল। কিমতু অবাক হবার কিছু নাই। একজন লোক আমাকে ডাক দিয়ে বলল টাকা পড়ে গেসে। আমিও লছু না বলে টাকা নিয়ে ব্যাংকে চলে আসলাম। ব্যাংককে টাকা জমা দেয়ার পর মাথায় আসল কত বর দূঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। কিন্তু আবার খারাপও লাগলো। লোকটাকে thanks দেয়া হল না।
ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে আসার সময় ক্ষুধা লাগসিল তাই decent এ chicken burger খাওয়া শুরু করলাম। খাবারটা ভাল লাগল। কিন্তু যখন আমি বিল দিতে যাব তখন তো আমি অবাক। আমি তো আমার সাথে করে টাকাই নিয়ে আসি নাই। যা এখন কি হবে। আমি তাই দোকানদারকে বললাম। আমার cellphone রাখেন। আমি টাকা নিয়া আসি।
কিন্তু অবাক হলাম দোকানদারের কথা শুনে, তিনি খুব নীচু স্বরে আলতো ভাবে বললেন। cellphone লাগবেনা। আপনি টাকা নিয়ে আসেন।
আচ্ছা এখন কি পৃথীবিতে ভাল মানুষ আছে। আমার লাগে আছে। আর একারনেই পৃথীবিটা টিকে আছে।
আরেকটা ঘটনা ঘটল।
অনেকদিন পর আমার দাদি আর জেঠিমার সাথে কথা হল। কিন্তু কেন যেন আমার ভিতর কোন filling কাজ করল না? ভাবসিলাম কথা বলতে বলতে voice ভারী হয়ে যাবে, চোখের কোনে পানি যমবে। কিন্তু না কিছুই হল না।
তাহলে কি?
আমি আমার সব অনুভূতি হারিয়ে ফেলসি?
আমি কি পাথরের হয়ে গেসি?
পাথররে এক মমী।
আজ সকালে দেরি করে উঠলাম। কিন্তু কেউ কেন জানি আজ আমাকে ঝাড়ি দিল না। আদরের সুরে ভাল ভাবে উঠতে বললো। আজব লাগতেসে। আচ্ছা মানুষ normal বিষয়গুল কে...
আজ সকালে দেরি করে উঠলাম। কিন্তু কেউ কেন জানি আজ আমাকে ঝাড়ি দিল না। আদরের সুরে ভাল ভাবে উঠতে বললো। আজব লাগতেসে। আচ্ছা মানুষ normal বিষয়গুল কেন সহজে নিতে পারে না? যেমন ভাল নাগরিক হিসাবে আমাদের দ্বায়ীত্য হল, রাস্তা পারাপারের সময় foot over breeze use করা। কিন্তু এই কাজগুল আমরা সহজে করি না। but আমাদের দেশে কেউ এই কাজটা করলে কেউ এটাকে normally দেখে না। হায়রে আমাদের দেশ।
ওহ যা বলতেসিলাম সাধারণ বিষয়গুল স্বপ্নের মতন লাগছিল। fresh হয়ে নাস্তা খেয়ে বের হলাম। বাবা তার কাজে কার সাথে যেন কথা বলছিল। কিছুখনের ভেতের আমরা দোকানের জন্য রওনা দিলাম। দোকানে গিয়ে তো আমি আবাক। ঘড়ি না দেখে ভুল করসি। সবাই মাত্র দোকান খুলতেসে।
সারাদিন ভাল বেচাকিনা হল। ব্যস্ত সময় কাটলো। কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল বিল্লাল কাকু যেন মেজাজ খারাপ করে বসে আছে। আমার বেচাকেনা ভাল বোধয় তাই। একটা জিনিস যেটা আমার দোকানে পাওয়া যায়, বিল্লাল কাকি যানে। কিন্তু তিনি customer আমার কাছে পাঠালেন না। থাক কি আর করা। তাই আমি যে customer এর কাছে বিক্রি করতে পারি নাই তাকে দিলাম।
মানুষের মনের ভিতর কেন এত্ত হিংসা কাজ করে। আচ্ছা একজন আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে, আমাদের ও কি উচিৎ তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা। আমাদের ধর্ম কি এই শিক্ষা দেয়। অনেক সময় মানুষ এ সকল চিন্তা করে না, হিংসা আরেকটা হিংসার জন্ম দেয়। তার থেকে তৈরী হয় প্রতিশোধের।
আমার কেন জানি এ সব ভাল লাগে না। আমি কি কুকুর নাকি, আরেকটা কুকুর ঘেউ ঘেউ করলে আমিও ঘেউ ঘেউ করব?
দোকানে সব ঠিকঠাক চলছিল হঠাৎ একটা call আসলো। স্বপন ভাইয়ের, তিনি দোকানে একটা কাজের জন্য আসবেন। তাই আগে থেকেই নাস্তা এনে রাখলাম। মানুষকে অবাক করতে আমার অনেক ভাল লাগে। নিজেয় অনেক সময় অবাক হয়ে যাই।
কয়েকদিন ধরে কালামের কথা মাথার গুরপাক খাচ্ছে। ও কালাম কে সেটাইতো বলা হল না। দোকানে আমি যা বিক্রি করি তার কিছু অংশ কালামের কাছ থেকে নেই। লোকটা অনেক ভাল। কিছুটা আমার মতো সোজা মানুষ, নাকি আবার নিজেকে ভালর আরালে লুকিয়ে রাখে।
একটা মানুষের কত রুপ হতে পারে। মানুষ প্রতি সময় acting করে। খুশি থাকার acting, অভাবের acting আর কত কি।
আমরা একটা মুখোশের উপর আরেকটা মুখোশ পরে নিজেকে লুকিয়ে রাখি। এতটা লুকিয়ে ফেলি যে আমরা নিজেরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি। অদৃশ্য এক মায়ার নগরীতে।
২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের ভাষার মাস। ভাষার জন্য এত্ত ভালবাসা আর কোথাও পাওয়া যাবে না। এই দিনেই অনেকে ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। এটা আমাদের শোকের মাস...
২১ ফেব্রুয়ারি
আমাদের ভাষার মাস। ভাষার জন্য এত্ত ভালবাসা আর কোথাও পাওয়া যাবে না। এই দিনেই অনেকে ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। এটা আমাদের শোকের মাস।
কি কথাগুল কেমন জানি লাগছে। ভাই ওই দিন শেষ। শুধু একদদিনের জন্য ভাষার জন্য ভালবাসা দেখাই। অন্য সবাইকে বাদ দেই নিজের কথাই বলি। নিজেই ভুলে গিয়েছিলাম যে এটা শোকের মাস। মাথায় শুধু গুরপাক দিতেছিল আজ ছুটি। সারাদিন rest নিব। ছুটি যে কিসের সেটাই ভুলে গিয়েছিলাম।
আমি ১০০% guaranty দিয়ে বলতে পারি সব ধোকা। রাস্তায় চলার পথে কাউকে গান শুনতে দেখলে আমি বলতে পারব সে bollywood গান শুনতেসে। অনেকে এই দিনে আবার ঘরে বসে movie দেখতে না সেটা বাংলা ছবি না।
কি আবল তাবল বলতেসি। দিনটা কেমন কাটল সেতাই তো বললাম না।
ঘুম থেকে উঠেই যুদ্ধ করলাম। শীত থাকলে কষ্ট চলে গেলেও কষ্ট। শীত গেল আর কম্বল ধুয়ার জন্য রেখে গেল। অনেক কষ্ট করে ধুয়ে শুকাতে দিলাম।
তারপর একটা shoking news পেন্টের পকেটে টাকা ছিল। কয়েকদিন আগে ১৫০০টাকা হারালাম আজ ১০০০টাকা গেল। পেন্ট হাতরিয়েও পেলাম না। মনটা খারাপ হয়ে গেল।
আচ্ছা মানুষের টাকার প্রতি এত্ত মায়া কেন।
টাকা দিয়ে কি সব কিনা যায় না, নাকি টাকা দিয়ে সব কেনা যায়। টাকা এত্ত ক্ষমতা। টাকা মানুষকে খারাপ করে নাকি। মানুষ খারাপ, টাকা শুধু এটা প্রকাশ করে। যেমন আগুনের উপর ঘি ঢাললে আগুন যেমন বাড়ে। এই সব টাকার বিষয় আমার মাথায় কেন যে ঢুকে না।
আবার distraction টাকা হারানোর শোকে বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম। উদ্দেশ্য মোবারকের বাসা। ওখানে গেলে তিন কাজ হবে।
১. mobile upgrade দিব।
২. মনটা কথা বলে হালকা করব।
৩. তিন নাম্বারটা যানি কি? ধাত্ত মনে পরতেসে না।
মোবারকের বাসায় wifi আমি গেলেই কেন যানি সমস্যা করে। আজও একই অবস্ত্যা। upgrade দেয়ার জন্য software download দেয়া হইসে। আল্লাহ্ জানে কত সময় জানি লাগে।
life মানেই অবাক হওয়া। মোবারকের বাসায় শাকিল আসল। শাকিল sk... আজব না নামটা। আচ্ছা sk মানে কি? ওহ শাকিল আসায় আর ভাল হল।
শুনেছি পাগলদের sense of humour ভাল। আমারটাও ভাল অনেক jokes বললাম। আচ্ছা আমি কি পাগল, কে যানে? আড্ডা মেরে আমরা রং চা খেলাম।
কিছু কিছু কাজ আজব। ছুটির দিনেও করতে হয়। মোবারক tuition দিতে চলে গেল। বাকি থাকলাম আমি আর শাকিল sk। কিছুখন কথা বলে আমরাও নিজ নিজ বাসার জন্য রওনা হলাম।
সময় এত্ত জলদি কেন চলে যায়। সবকিছু অনেক দ্রুত হয় কেন। একটা সময়ে যদি আজীবন থাকতে পারতাম তাহলে অনেক ভাল হত।
আচ্ছা কোন সময়ে আজীবন থাকা যায়?.....
১৯.০২.১৭ সহজ একটা গণিত ১৯-০২=১৭ কয়েক দিন ধরে কেমন আজব আজব লাগে। এত্ত ভাল জীবন? সুন্দর ভাবে চলতেসে। খটকা খটকা লাগতেসে। মানুষের ঘুমটা অনেক ...
১৯.০২.১৭
সহজ একটা গণিত ১৯-০২=১৭
কয়েক দিন ধরে কেমন আজব আজব লাগে। এত্ত ভাল জীবন? সুন্দর ভাবে চলতেসে। খটকা খটকা লাগতেসে।
মানুষের ঘুমটা অনেক আজব হয়। একদম মৃত্যুর কাছা কাছি যাওয়া যায়।
আর আমি কয়েকদিন ধরে কিছু টের পাবার আগেই মৃত্যুর অনেক কাছে যাই। কখন ঘুমাই আর ঘুম থেকে উঠি কিছুই টের পাই না।
সকালে অপরিকল্পিত নাস্তা খাওয়া হল। sandwich তাও আবার ডিমের, মুরগির ডিম। সব ঠিক ঠাক ছিল শুধু একটা সমস্যা শষা একদম তিতা ছিল। বাসায় তেমন কথা বলি না তাই। যা দেয়া ছিল তাই কোন মতে খাওয়া শেষ করলাম।
জট পট ready হয়েই দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
আমার দোকানে যাওয়ার নিয়মটা একটু আলাদা। খাবারের জন্য tiffin নিয়া main road এ দারিয়ে থাকি।
আমার father তার bike নিয়া আসলে ওইটাতে চড়ে আসি।
আচ্ছা বাংলাদেশে কি সড়ক এর কোন নিয়ম কানুন নাই। fly over ব্রীজ করসে আমাদের এখানে but শুধু নামার জন্য। এটা কোন কথা হল। daily আমদের অন্য road থেকে উঠতে হয়?
আজ দোকানে আসার পর তেমন কিছুই হল না। কাজ তেমেন নাই তবুও কাজে ব্যস্ত ছিলাম। export এর ব্যবসা আজব। online এ চীনাদের সাথে পেচাল পারতে হয়। মাঝে মাঝে মনে হয় movie এর মতন acting করতেসি। দুনিয়াটা খুবই আজব।
কয়েকদিন ধরে দোকানের ছেলেটা বেড়ে গেসে। কোন কথাই ভাল মতন শুনে না, কিন্তু তার জন্য মায়া কাজ করে একটা। আবার নিজেকে selfish মনে হয়।
আচ্ছা আমরা কেনে কাউকে এতটা আপন করে নেই? আমরা বুঝি জানি যে সে ঠিক না বা ধোকা দিতেসে তবুও কেনে তাদের প্রতি এতটা দূবল হয়ে থাকি?
বাবা আজ বলও ছেলেটাকে সামনের মাস থেকে আসতে না করতে। কিছুই করার নেই আমার। আমি খুশি নাকি দুখি কেউ বুঝতে পারবে না।
কারন আমি মানুষটা খুবই জটিল। আমি নিজেই নিজেকে চিনতে পারি নাই তো অন্যরা কিভাবে আমাকে এত্ত সহজে চিনবে?
মানুষ কত অদ্ভুত। আর আমি মনে হয় বেশি। ছোট থেকেই হুমায়ুন sir এর গল্প পরে আসছি। তাই ভাবলাম নিজেই কিছু একটা করি। যা লিখব তা বাস্তবতার সাথে কল্...
মানুষ কত অদ্ভুত। আর আমি মনে হয় বেশি। ছোট থেকেই হুমায়ুন sir এর গল্প পরে আসছি। তাই ভাবলাম নিজেই কিছু একটা করি।
যা লিখব তা বাস্তবতার সাথে কল্পনা মিলানো। হুমায়ুন sir এ জিনিসটা খুব ভাল পারতেন। তিনি তো কল্পনাকেই বাস্তব করে ফেলতেন।
নামটা বলা দরকার নেই তবুও না বলে পারতেসি না।
হিমু
বলে নেই হুমায়ুন আহম্মেদ এর গল্পের হিমু না।
real life এর real হিমু।
আমার half life তো শেষ। বাকি half life নিয়াই লেখা শুরু করি।
Follow Us
Were this world an endless plain, and by sailing eastward we could for ever reach new distances