আজ সকালে দেরি করে উঠলাম। কিন্তু কেউ কেন জানি আজ আমাকে ঝাড়ি দিল না। আদরের সুরে ভাল ভাবে উঠতে বললো। আজব লাগতেসে। আচ্ছা মানুষ normal বিষয়গুল কেন সহজে নিতে পারে না? যেমন ভাল নাগরিক হিসাবে আমাদের দ্বায়ীত্য হল, রাস্তা পারাপারের সময় foot over breeze use করা। কিন্তু এই কাজগুল আমরা সহজে করি না। but আমাদের দেশে কেউ এই কাজটা করলে কেউ এটাকে normally দেখে না। হায়রে আমাদের দেশ।
ওহ যা বলতেসিলাম সাধারণ বিষয়গুল স্বপ্নের মতন লাগছিল। fresh হয়ে নাস্তা খেয়ে বের হলাম। বাবা তার কাজে কার সাথে যেন কথা বলছিল। কিছুখনের ভেতের আমরা দোকানের জন্য রওনা দিলাম। দোকানে গিয়ে তো আমি আবাক। ঘড়ি না দেখে ভুল করসি। সবাই মাত্র দোকান খুলতেসে।
সারাদিন ভাল বেচাকিনা হল। ব্যস্ত সময় কাটলো। কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল বিল্লাল কাকু যেন মেজাজ খারাপ করে বসে আছে। আমার বেচাকেনা ভাল বোধয় তাই। একটা জিনিস যেটা আমার দোকানে পাওয়া যায়, বিল্লাল কাকি যানে। কিন্তু তিনি customer আমার কাছে পাঠালেন না। থাক কি আর করা। তাই আমি যে customer এর কাছে বিক্রি করতে পারি নাই তাকে দিলাম।
মানুষের মনের ভিতর কেন এত্ত হিংসা কাজ করে। আচ্ছা একজন আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে, আমাদের ও কি উচিৎ তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা। আমাদের ধর্ম কি এই শিক্ষা দেয়। অনেক সময় মানুষ এ সকল চিন্তা করে না, হিংসা আরেকটা হিংসার জন্ম দেয়। তার থেকে তৈরী হয় প্রতিশোধের।
আমার কেন জানি এ সব ভাল লাগে না। আমি কি কুকুর নাকি, আরেকটা কুকুর ঘেউ ঘেউ করলে আমিও ঘেউ ঘেউ করব?
দোকানে সব ঠিকঠাক চলছিল হঠাৎ একটা call আসলো। স্বপন ভাইয়ের, তিনি দোকানে একটা কাজের জন্য আসবেন। তাই আগে থেকেই নাস্তা এনে রাখলাম। মানুষকে অবাক করতে আমার অনেক ভাল লাগে। নিজেয় অনেক সময় অবাক হয়ে যাই।
কয়েকদিন ধরে কালামের কথা মাথার গুরপাক খাচ্ছে। ও কালাম কে সেটাইতো বলা হল না। দোকানে আমি যা বিক্রি করি তার কিছু অংশ কালামের কাছ থেকে নেই। লোকটা অনেক ভাল। কিছুটা আমার মতো সোজা মানুষ, নাকি আবার নিজেকে ভালর আরালে লুকিয়ে রাখে।
একটা মানুষের কত রুপ হতে পারে। মানুষ প্রতি সময় acting করে। খুশি থাকার acting, অভাবের acting আর কত কি।
আমরা একটা মুখোশের উপর আরেকটা মুখোশ পরে নিজেকে লুকিয়ে রাখি। এতটা লুকিয়ে ফেলি যে আমরা নিজেরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি। অদৃশ্য এক মায়ার নগরীতে।