শুক্রুবারের দিনটা খুবই আজব হয়। সারাদিন কিছু করার নাই, আবার অনেক কিছুই করতে হয়।
বরাবরের মতন আজকেও অনেক late করে উঠলাম। উঠতাম কিন্তু তাও উঠতাম না। কিন্তু বাবা ঢাক দিল তাই যাওয়া হল। যেতাম না ঐখানে। ওনেকবার ঢাকল তাই গেলাম। মনে করসিলাম কোন কাজে ঢাকা হইসে। কিন্তু না ধারনাটা ভুল ছিল আমার। আগের দিন দাদি আর জেঠিমার সাথে কথা হইসে এ নিয়া আলোচনা।কি বললো, কেন বললো, আমি কি করসি, ও কি করসে এ সব কছু জিজ্ঞাস করা হল।
আজকে আবার শিমু আপার বাসায় যাওয়ার কথা।
ছোটকালে একটা কথা বলতাম আমার খুব মনে পরে, কিন্তু কেন বলতাম এটা মনে নেই।
শিমুর বোন হিমু, হিমুর ভাই শিমু। যখন ছোট ছিলাম তখন অনেক ভাল ছিলাম। দিন যত যাচ্ছে সব কেমন যানি হয়ে যাচ্ছে। life টা পুরা তামা তামা হয়ে গেল।
বাংলাদেশ high technology হয়ে যাচ্ছে। google map দেখে আমি শিমু আপার বাসায় গেলাম। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ এটাকে মূল্যায়ন দেয় না। তার ভিতর একজন হল Mr. রাশেদ। জি রাশেদ ভাই। যার সাথে আমি সবচেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত করি। কিন্তু মজার বিষয় হল ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে। রাত ১০ ঘটিকা থেকে সকাল ৮ ঘটিকা দীর্ঘ ১০ ঘন্টা আমরা একসাথে থাকি।
ও শিমু আপার বাসায় গিয়ে অনেক কিছু করলাম। বলে শেষ করা যাবে না। সংক্ষেপে বলতে গেলে বাসায় ঢুকলাম আর বের হইলাম। ঘড়ির কাটা কখন যে ঘুরে ঘুরে ৬টা বেজে গেসে যানি না।
রাশেদ ভাইয়ের যোরা যোরিতে জলদি বের হলাম। কিন্তু ছোট একটা shock খেলাম। জুতো জোরা নিয়ে কে যেন চম্পট দিয়েছে। আচ্ছা আমি কেন যানি এখন আর আগের মতন অবাক হইনা। আচ্ছা আমি কি বদলে যাচ্ছি। কি হচ্ছে আমার সাথে।